
হিমাচল ভ্রমণ (পর্ব ০২)
দেখো, আকাশের মেঘগুলো কেমন পাখির মত উড়ে বেড়াচ্ছে হ্য্যাঁ, যেনো যাহাড়ের চুাঁড়ায় আজ বাসা বাঁধবে বলে ঠিক করছে। ভারতের হিমাচল প্রদেশের কিন্নরের একটি ছোট্ট জায়গার
দেখো, আকাশের মেঘগুলো কেমন পাখির মত উড়ে বেড়াচ্ছে হ্য্যাঁ, যেনো যাহাড়ের চুাঁড়ায় আজ বাসা বাঁধবে বলে ঠিক করছে। ভারতের হিমাচল প্রদেশের কিন্নরের একটি ছোট্ট জায়গার
কাজের চাপে ঘরবন্দী হয়ে যখন হাঁসফাঁস অবস্থা তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম এবার হিমের আচলে ভেসে পথ হারাতে হবে। আর তাই ২০২২ সালের জুলাই মাসে আমরা দুজন
সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২২০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহর পারো। পাহাড়ে ঘেরা এই অপরূপ শহরটির মাঝ দিয়ে বয়ে চলেছে পারো নদী। এই নদীকে সাথে নিয়েই গড়ে
খুব ভোরে পুনাখার উদ্দেশ্যে রওনা হবো এমন পরিকল্পনা ছিল আমাদের। তাই সকাল সকাল সবাই প্রয়োজনীয় শীতের কাপড় আর মালপত্র নিয়ে গাড়িতে উঠে পরি। ভুটানের রাজধানী
গতকাল রাতে যখন আমরা থিম্পুতে হোটেলে এসেছিলাম, তখন আমরা কেউ বুঝতে পারি নি যে আমাদের হোটেল এর চারপাশটা এত সুন্দর। সকালে ঘুম ভেঙ্গে দেখি প্রকৃতির
সড়ক পথে ঢাকা থেকে থিম্পু যেতে বেশ খানিকটা সময় লাগে। প্রায় ২৪ ঘণ্টার উপর সময় লেগেছিল আমাদের। যদিও সবাই মিলে একসাথে এই লম্বা যাত্রা কিন্তু
সময়টা ২০১৯ সালের নভেম্বর মাস। তখনও বাংলাদেশে কিংবা বাংলাদেশের আশে পাশের দেশগুলোতে করোনা ভাইরাস এর আক্রমণ ঘটেনি । অগ্রহায়ণ মাসের মৃদু শীতল হাওয়া শীতের আগমনী